শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় অভিযানে ৩৪ বাংলাদেশিসহ আটক ৯৪

dsbnews.net

মালয়েশিয়ার জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগ বৃহৎ অভিযান চালিয়ে ৩৪ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৯৪ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে।   বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইস্কান্দার পুটেরি ও কুলাই এলাকায় একযোগে ৪৩টি স্থানে অভিযান চালায় জোহর বাহরু ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ সময় মোট ১৯৯ জনকে তল্লাশি করে ৯৪ জনকে আটক করা হয়। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জোহর ইমিগ্রেশন পরিচালক দাতুক মোহাম্মদ রুসদি মোহাম্মদ দারুস জানান, অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিভিশন অ্যাকশন ইউনিট এবং মালয়েশিয়ান বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি (AKPS)–এর কর্মকর্তারা অংশ নেন। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- ৩৮ জন বাংলাদেশি পুরুষ, ১৫ জন ইন্দোনেশিয়ান পুরুষ, ১২ জন মিয়ানমারের পুরুষ, ৬ জন পাকিস্তানি পুরুষ, ৪ জন ভারতীয় পুরুষ, ২ জন ভিয়েতনামী পুরুষ, ১ জন নেপালি পুরুষ, ১ জন থাই পুরুষ, ১০ জন মিয়ানমারের নারী এবং ৫ জন ইন্দোনেশিয়ান নারী। তাদের বয়স ১৮ থেকে ৬১ বছরের মধ্যে। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩–এর ধারা ৬ (১ ) (সি) ও ১৫ (১) (সি), এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩–এর ধারা ৩৯ (বি) ভঙ্গের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। এছাড়া, অবৈধ অভিবাসীদের সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগে ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ৫৬ (১) (ডি) অনুযায়ী দুইজন স্থানীয় নাগরিক এবং একজন প্রাঙ্গণ ব্যবস্থাপককে ধারা ৫৫ই–এর অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের আরও তদন্তের জন্য সেতিয়া ট্রপিকানা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও নিয়োগ না দেওয়ার জন্য নিয়োগকর্তাদের প্রতি কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিদেশি কর্মী নিয়োগে কোনো পক্ষ পরিচালনায় সক্ষম দাবি করলে তার সঠিক তথ্য অফিস থেকে যাচাই করতে নিয়োগকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেনে স্থল নৌ ও আকাশপথে সেনা পাঠাতে প্রস্তত ২৬ দেশ

macron dsbnews.net

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের ২৬টি দেশ ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনে অস্ত্রবিরতির পরদিনই দেশটিতে স্থল, নৌ বা আকাশপথে সেনা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপের ২৬টি মিত্রদেশ। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ৩৫ দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ শীর্ষক এক বৈঠকে শেষে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এ ঘোষণা দেন।  তিনি জানান, এ উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনও কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সহায়তা সম্ভবত আকাশ প্রতিরক্ষার আকারে আসতে পারে। এ নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও তার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ‘ইউক্রেনের আকাশসীমার সর্বোচ্চ সুরক্ষা’  চেয়েছেন। তবে গত মাসে আলাস্কায় ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর থেকে যুদ্ধ শেষ করার কোনও সম্ভাব্য চুক্তির আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে রাশিয়ার তেল-গ্যাস আমদানি বন্ধ করতে হবে, যাতে অর্থনৈতিকভাবে মস্কোর যুদ্ধযন্ত্র থামানো যায়। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় হোয়াইট হাউস। ইইউ ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে রাশিয়া থেকে সব ধরনের তেল ও গ্যাস আমদানি বন্ধ করবে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, গত এক বছরে ইউরোপ রাশিয়ার কাছ থেকে অন্তত ১.১ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের জ্বালানি কিনেছে। যদিও ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি প্রকাশ্যে খুব কম দেশই দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা স্থল সেনা পাঠাবে না। ইউরোপীয় কূটনীতিকদের মতে, এখনই এ ঘোষণা দিলে সেটি পুতিনের পশ্চিমবিরোধী প্রচারণাকে আরও জোরদার করবে। মস্কো বলেছে, ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা মোতায়েন করা যাবে না। বরং রাশিয়াকেই অস্ত্রবিরতির গ্যারান্টারদের মধ্যে থাকতে হবে। আর এটি কিয়েভ ও তার মিত্ররা প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে অস্ত্রবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও রাশিয়া নতুন করে সেনা পাঠাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ম্যাক্রোঁ।